ফতুল্লায় দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, পুলিশের ওপর টেটা নিক্ষেপ

ফতুল্লায় দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, পুলিশের ওপর টেটা নিক্ষেপ

ফতুল্লার আকবরনগরে দুই গ্রুপের মাঝে দফায় দফায় হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৯ আগস্ট) সকাল থেকে সামেদ আলী বাহিনী ও শওকত আলী চেয়ারম্যানর আর্শীবাদপুস্ট জাকির বাহিনীর মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার মধ্য দিয়ে সংঘর্ষ চলতে থাকে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ সকাল নয়টার দিকে সেখানে গেলে তাদের উপর ককটেল বিস্ফোরনসহ ইট, টেটা ছুড়ে মারে জাকির বাহিনী। এসময় পুলিশ আত্নরক্ষার্থে ২০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ফতুল্লা মডেল থানার ইনচার্জ শেখ রিজাউল হক দিপু জানান, পূর্বের রেশ ধরে সামেদ আলী বাহিনীর সাথে বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত আলীর সমর্থিত জাকির গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উভয় গ্রুপকে ধাওয়া করে ছত্রভঙ্গ দিলে সামেদ আলী বাহিনী পিছু হটে যায়। তবে একটি পরিত্যক্ত ইটভাটার ভিতর থেকে চেয়ারম্যান সমর্থিত জাকির বাহিনী পুলিশের উপর ককটেল ছুড়ে মেরে বিস্ফোরন ঘটায়, একইসাথে টেটা ও ইটের সুরকি ছুড়ে মারে পুলিশ সদস্যদের উপর। এ সময় পুলিশ আত্নরক্ষার্থে ২০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে। তবে কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে থাকলেও জাকির বাহিনী ইট ভাটার ভিতরে থেকে আক্রমণ করছে।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার শওকত চেয়ারম্যানের বাড়িতে সামেদ আলী বাহিনী হামলা চালিয়ে নারীসহ অন্তত ৬জনকে মারধর করে আহত করে। এসময় চেয়ারম্যানের ভাতিজার বাড়ি ভাংচুর করা হয়। জানা যায়, ফতুল্লার একটি ভয়ঙ্কর এলাকার নাম আকবরনগর। এ এলাকায় ইট খোলায় চাঁদাবাজী ও প্রভাব বিস্তার নিয়ে সামেদ আলী ও রহিম হাজী নামে দুটি গ্রুপের মধ্যে প্রায় সময় সংঘর্ষ হয়। এতে একাধিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

এদের মধ্যে সামেদ আলী গ্রুপকে সরাসরি স্থানীয় বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত আলী শেল্টার দিতেন। তার শেল্টারের কারণে আকবরনগরসহ বক্তাবলী ইউনিয়নে মাদক ব্যবসা, ইটখোলায় চাঁদাবাজীসহ নানা ধরনের অপরাধে মেতে উঠে সামেদ আলী বাহিনী।


Leave a Reply

Your email address will not be published.